বিশেষ প্রতিনিধি, Hafizur Rahman।।
ঢাকায় সফররত তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান–এর সঙ্গে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান–এর বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে সাংস্কৃতিক বিনিময় সংক্রান্ত একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে।
শুক্রবার (৫ জুন) সকালে রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল ঢাকা-এ অনুষ্ঠিত এই বৈঠকের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যে সাংস্কৃতিক সহযোগিতার নতুন অধ্যায় শুরু হলো বলে জানানো হয়।
বৈঠক শেষে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান বলেন, শান্তি, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণে দুই দেশ একসঙ্গে কাজ করবে। পাশাপাশি মুক্ত বাণিজ্য অর্থনীতির সুযোগ আরও বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি জানান, বাংলাদেশের বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে (ইকোনমিক জোন) তুরস্ককে বিনিয়োগের আহ্বান জানানো হয়েছে। এছাড়া শিক্ষা ও প্রযুক্তি খাতে তুরস্কের সহযোগিতা চেয়েছে বাংলাদেশ।
রোহিঙ্গা সংকট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এই সমস্যার টেকসই সমাধানে তুরস্কের আরও কার্যকর ও জোরালো ভূমিকা প্রত্যাশা করে ঢাকা।
এছাড়া ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পর্যবেক্ষক পাঠানো এবং জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে বাংলাদেশকে সমর্থন দেওয়ার জন্য তুরস্ককে ধন্যবাদ জানান তিনি।
অন্যদিকে তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান বলেন, বাংলাদেশ নতুন রাজনৈতিক ও উন্নয়ন যাত্রায় প্রবেশ করেছে। জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় বাংলাদেশকে তিনি অভিনন্দন জানান।
তিনি আরও জানান, দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদারে তুরস্ক ইতোমধ্যে প্রায় ২ বিলিয়ন ডলারের সহযোগিতা বাড়িয়েছে এবং ভবিষ্যতে এই অঞ্চলে শান্তি ও টেকসই উন্নয়নে আরও কাজ করতে চায় আঙ্কারা।
রোহিঙ্গা ইস্যুতে তুরস্কের অবস্থান তুলে ধরে তিনি বলেন, বাংলাদেশ মানবিকভাবে বড় দায়িত্ব পালন করেছে। রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক ও সম্মানজনক প্রত্যাবর্তনে তুরস্ক সক্রিয়ভাবে কাজ করবে।
হাফিজ/ আয়না নিউজ