বিশেষ প্রতিনিধি, Surjoy Karmaker।।
সাতক্ষীরা প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার পৃথক তিনটি স্থান থেকে তিন ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৯ জুন) জেলার আশাশুনি, কলারোয়া ও সদর উপজেলায় এসব মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এর মধ্যে একটি ঘটনায় হত্যাকাণ্ডের আলামত পাওয়ায় সন্দেহ করছে পুলিশ। তিনটি ঘটনারই তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশ।
স্থানীয়রা জানান, আশাশুনি উপজেলার বেউলা গ্রামের পশ্চিম বিলের একটি খাল থেকে মো. আব্দুর রহিম মালি (৬০) নামে এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। সকাল ৭টার দিকে স্থানীয়রা খালে মরদেহ ভাসতে দেখে পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।
নিহত আব্দুর রহিম মালি উপজেলার বুধহাটা ইউনিয়নের শেতপুর গ্রামের মৃত ফরিদ উদ্দিন মালির ছেলে। তিনি মানসিক ভারসাম্যহীন ছিলেন বলে জানিয়েছে পরিবার।
আশাশুনি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. হারুনার রশিদ মৃধা বলেন, তিনি মানসিকভাবে অসুস্থ ছিলেন। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, অসাবধানতাবশত খালের পানিতে পড়ে তার মৃত্যু হয়েছে।
এদিকে, কলারোয়া উপজেলার জালালাবাদ এলাকায় একটি মোবাইল টাওয়ারের পাশের ডোবা থেকে মেহেদী (৩০) নামে এক মধু ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তিনি উপজেলার কয়লা গ্রামের মিজানুর রহমানের ছেলে।
স্থানীয়রা মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে।
কলারোয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শাহিন বলেন, ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায়, এক যুবকের মরদেহ ডোবার মধ্যে পড়ে আছে। মরদেহ টেনে নিয়ে যাওয়ার আলামত পাওয়া গেছে। বিষয়টি হত্যাকাণ্ড বলে মনে হচ্ছে। আমরা তদন্ত শুরু করেছি।
অন্যদিকে, সদর উপজেলার ধুলিহর এলাকায় অমিত হাসান নামে এক যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সাতক্ষীরা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।
সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহাম্মদ মাসুদুর রহমান বলেন, এক যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।
পুলিশ জানিয়েছে, তিনটি ঘটনারই পৃথকভাবে তদন্ত চলমান রয়েছে।
মোমিন/ সূর্যয় / আয়না নিউজ