হজ পালনে বয়সসীমা সংক্রান্ত সাম্প্রতিক সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছে সৌদি আরব। দেশটির হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় জানায়, আগে ঘোষণা দেওয়া ১৫ বছরের ন্যূনতম বয়সসীমা তুলে নেওয়া হয়েছে। ফলে এখন থেকে ১২ বছর বা তার বেশি বয়সী শিশু-কিশোররা পরিবারের সঙ্গে পবিত্র হজ পালন করতে পারবে।
ঘোষণা অনুযায়ী, নতুন এই সিদ্ধান্ত ৩ মে থেকে কার্যকর হওয়ার কথা থাকলেও নির্ধারিত সময়ের একদিন আগেই তা বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এর ফলে হজযাত্রীদের মধ্যে তৈরি হওয়া অনিশ্চয়তা অনেকটাই কেটে গেছে।
এর আগে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছিল, ২০২৬ সালের হজে ১৫ বছরের কম বয়সিদের অংশগ্রহণের সুযোগ থাকবে না। এমনকি যেসব আবেদনকারীর ভিসা ইস্যু করা হয়েছিল, সেগুলো বাতিলের নির্দেশ দেওয়া হয় এবং জমা অর্থ ফেরতের কথাও বলা হয়েছিল। তবে নতুন সিদ্ধান্তে সেই অবস্থান থেকে সরে এসেছে সৌদি সরকার।
পাকিস্তানের বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ (পিএএ) এবং দেশটির হজ অধিদফতর জানিয়েছে, বয়সসীমার কারণে যেসব হজ ভিসা বাতিল বা স্থগিত করা হয়েছিল, সেগুলো পুনরায় যাচাই করে প্রক্রিয়াকরণ করা হবে।
চলতি বছর পাকিস্তান থেকে সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় প্রায় ১ লাখ ১৯ হাজার হজযাত্রীর মক্কা গমনের কথা রয়েছে। ইতোমধ্যে ১৮ এপ্রিল থেকে হজ ফ্লাইট শুরু হয়েছে এবং প্রথম দফায় করাচি থেকে ১৬০ জন যাত্রী সৌদি আরবে পৌঁছেছেন।
নতুন এই নীতির ফলে যেসব পরিবার সন্তানদের সঙ্গে হজে যাওয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন, তাদের জন্য স্বস্তি ফিরেছে। এখন ১২ থেকে ১৫ বছর বয়সী কিশোর-কিশোরীরাও কোনো বাধা ছাড়াই পরিবারের সঙ্গে হজে অংশ নিতে পারবে।
হাফিজ/ আয়না নিউজ