তামিলাগা ভেট্রি কাজাগম (টিভিকে) বৃহস্পতিবার রাতে হুঁশিয়ারি দিয়ে জানিয়েছে, যদি এম কে স্টালিনের ডিএমকে বা ই পালানিস্বামীর এআইএডিএমকে সরকার গঠনের দাবি তোলে,তাহলে বিজয়ের দলের সব বিধায়ক পদত্যাগ করবে। ১০৭টি আসনে জয় পাওয়া টিভিকের দাবি, একক বৃহত্তম দল হিসেবে সরকার গঠনের আমন্ত্রণ তাদেরই পাওয়া উচিত।
ডিএমকে ও এআইএডিএমকে শিবিরে গুরুত্বপূর্ণ দুইটি বৈঠকের পর টিভিকের আশঙ্কা এই দুই দল একজোট হয়ে সরকার গঠনের চেষ্টা চালাচ্ছে। নির্বাচনে ১০৭টি আসন পাওয়া টিভিকে কে সরকার গঠন থেকে দূরে রাখতে অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বলে জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি।
বৃহস্পতিবার সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের জন্য বিজয় গভর্নরের কাছে যে পরিকল্পনা দিয়েছিলেন গভর্নর আর ভি আরলেকার সেটি গ্রহণ না করে বিজয়কে সরকার গঠনের দাবি জানানোর অনুমতি দিতে অস্বীকৃতি জানিয়ে বলেন, টিভিকের কাছে সরকার গঠনের মতো পর্যাপ্ত সংখ্যা নেই। গভর্নর স্পষ্ট করে বলেন, সরকার গঠনের আগে বিজয়কে ১১৮ জন বিধায়কের সমর্থনের লিখিত চিঠি জমা দিতে হবে।
আরও পড়ুন-
ভারতকে ‘সবচেয়ে বড় সন্ত্রাসী’ বললো পাকিস্তান সেনাবাহিনী
টিভিকের সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের জন্য আরও ১০টি আসন প্রয়োজন। ইতোমধ্যে পাঁচজন বিধায়ক থাকা কংগ্রেস দল তাদের সমর্থন দিয়েছে। বাকি সমর্থন জোগাড় করতে বামপন্থী দল ও ছোট কয়েকটি দলের সঙ্গে আলোচনা চলছে বলে জানা গেছে।
বুধবার বিজয় গভর্নরের সঙ্গে দেখা করে ১১২ জন বিধায়কের সমর্থন থাকার কথা জানালে গভর্নর সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যা এখনো পূরণ হয়নি জানান। এদিকে রাজনৈতিক বিতর্ক আরও বেড়েছে রাজ্যপালের সিদ্ধান্ত নিয়ে। রাজভবনের এক বিবৃতিতে জানানো হয় তামিলনাড়ু বিধানসভায় সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠ সমর্থন এখনো প্রতিষ্ঠিত হয়নি। কিন্তু টিভিকের দাবি, সংবিধান অনুযায়ী সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণের জায়গা হলো বিধানসভা, রাজভবন নয়।
ডিএমকে ও এআইএডিএমকের শীর্ষ নেতারা জোটের আলোচনা হওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করলেও সম্ভাব্য সমঝোতার গুঞ্জন নতুন করে রাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি করেছে। এদিকে ১০ মে শেষ হচ্ছে বর্তমান বিধানসভার মেয়াদ। ফলে সরকার গঠন নিয়ে তামিলনাড়ুর রাজনৈতিক নাটক এখন চূড়ান্তে।
এফ এ/আয়না