| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

থাকসিন সিনাওয়াতরার প্যারোলে মুক্তি

  • আপডেট টাইম: 11-05-2026 ইং
  • 53466 বার পঠিত
থাকসিন সিনাওয়াতরার প্যারোলে মুক্তি

ব্যাংককের ক্লোং প্রেম সেন্ট্রাল প্রিজন থেকে থাইল্যান্ডের সাবেক প্রধানমন্ত্রী থাকসিন সিনাওয়াতরা প্যারোলে মুক্তি পেয়েছেন। এক বছরের কারাদণ্ডের মধ্যে প্যারোলের শর্ত পূরণ হওয়ায় এবং দুই-তৃতীয়াংশ সাজা ভোগ করায় তাকে এই মুক্তি দেওয়া হয়েছে। সোমবার (১১ মে) স্থানীয় সময় সকাল ৭টা ৪০ মিনিটে তিনি কারাগার থেকে বের হয়ে অপেক্ষমাণ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মিলিত হন। 

থাকসিন সিনাওয়াতরা কারামুক্তির পর তিনি ও তার পরিবার জাতীয় পতাকার প্রতি সম্মান প্রদর্শন করে উপস্থিত সমর্থকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে গাড়িবহর নিয়ে এলাকা ত্যাগ করেন। স্থানীয় পুলিশ থাকসিনের মুক্তি উপলক্ষে কারাগারেরবাইরে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছিল। প্যারোলে মুক্তির পর থাকসিন সিনাওয়াতরাকে ব্যাংককের একটি প্রবেশন অফিসে নিয়ে যাওয়া হয়।

৭৬ বছর বয়সী থাকসিন সিনাওয়াতরার সাজার মেয়াদ এক বছরেরও কম অবশিষ্ট থাকায় বয়সজনিত ও আইনি কারণে তাকে প্যারোলের এই বিশেষ সুবিধা দেয়া হয়েছে। প্যারোল কমিটির সভায় থাকসিনসহ ৮৫০ জনেরও বেশি বন্দির আগাম মুক্তির বিষয়টি অনুমোদন করা হলে তাকে এই বিশেষ সুবিধা দেওয়া হয়েছে।



কারা অধিদপ্তরের তথ্যমতে, গত মাসে অনুষ্ঠিত প্যারোল কমিটির সভায় থাকসিনসহ ৮৫০ জনেরও বেশি বন্দির আগাম মুক্তির বিষয়টি অনুমোদন করা হয়। থাকসিনের বয়স বর্তমানে ৭৬ বছর এবং তার সাজার মেয়াদ এক বছরেরও কম অবশিষ্ট থাকায় বয়সজনিত ও আইনি কারণে তাকে এই সুবিধা দেওয়া হয় তবে প্যারোলে থাকার সময় তাকে বেশ কিছু কঠোর শর্ত মেনে চলতে হবে। একটি ইলেকট্রনিক মনিটরিং ডিভাইস বা বিশেষ নজরদারি যন্ত্র তাকে পরে থাকতে হবে এবং নিয়মিতভাবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে রিপোর্ট করতে হবে। আগামী ৯ সেপ্টেম্বর থাকসিন সিনাওয়াতরার এক বছরের সাজার মেয়াদ আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হবে। কিন্তু এক বছরের সাজার মেয়াদ শেষ না হওয়া পর্যন্ত তিনি থাইল্যান্ডের বাইরে বা অন্য কোনো দেশে ভ্রমণ করতে পারবেন না। 

থাইল্যান্ডের রাজনীতিতে অত্যন্ত প্রভাবশালী একজন ব্যক্তিত্ব থাকসিন সিনাওয়াতরা ২০০১ এবং ২০০৫ সালে দুই দফায় দেশটির প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০০৬ সালে এক সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে তার সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করা হলে ২০০৮ সাল থেকে তিনি স্বেচ্ছা নির্বাসনে ছিলেন। 

২০২৩ এর আগস্টে তিনি থাইল্যান্ডে ফিরে আসলে তাকে তাৎক্ষণিকভাবে হেফাজতে নিয়ে বিভিন্ন অভিযোগে আট বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। রাজকীয় ক্ষমার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তার সাজা কমিয়ে এক বছর করা হলে স্বাস্থ্যগত সমস্যায় তাকে কারাগার থেকে দ্রুত পুলিশ হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। ২০২৫ সালের ৯ সেপ্টেম্বর সুপ্রিম কোর্ট থাকসিন সিনাওয়াতরার হাসপাতালে কাটানো সময় সাজার অন্তর্ভুক্ত হবে না জানালে পুনরায় কারাগারে ফিরে যেতে হয়েছিল। 

আরও পড়ুন-

 ইরানের সামরিক প্রধানকে নতুন নির্দেশনা খামেনির

প্যারোলে মুক্তি পাওয়া থাকসিনের ২০১৫ সালে বিদেশি সংবাদমাধ্যমে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারের জেরে রাজকীয় অবমাননার একটি পৃথক মামলা রয়েছে। সেই মামলায় নিম্ন আদালতের খালাসের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করেছেন অ্যাটর্নি জেনারেল। 

এফ এ/আয়না

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ নতুন ঠিকানা - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪