ভারতগামী ফ্লাইটে টানা কয়েকদিন ধরে ইমেইলে একের পর এক বোমা হামলার হুমকির ঘটনায় উদ্বেগ ছড়িয়েছে দেশটির বিমানবন্দরে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কে বা কারা এসব ইমেইল পাঠাচ্ছে তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু করেছে।
শনিবার (১৬ মে) রাজীব গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নেদারল্যান্ডসের আমস্টারডাম থেকে ভারতের হায়দরাবাদগামী একটি ফ্লাইটে বোমা থাকার হুমকিকে কেন্দ্র করে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ার পর পরই নিরাপত্তা সংস্থাগুলো বিমানবন্দরে উচ্চ সতর্কতা জারি করলেও তেমন কোনো বিস্ফোরক দ্রব্যের সন্ধান মেলেনি। বিমানবন্দরের কাস্টমার কেয়ার বিভাগে একটি অজ্ঞাত ইমেইলে জানানো হয় কুয়ালালামপুর এয়ারওয়েজের কেএল-৮৭৩ ফ্লাইটে বোমা রাখা হয়েছে এবং সেটি যেকোনো সময় বিস্ফোরিত হতে পারে। বিমানবন্দরের এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল, নিরাপত্তা বাহিনী এবং জরুরি সেবাদানকারী সংস্থাগুলো সতর্কতার সঙ্গে আকাশে পাইলটের সঙ্গে যোগাযোগ করে বিমানটিকে নিরাপদে অবতরণের জন্য বিশেষ নিরাপত্তা প্রোটোকল চালু করে।
আরও পড়ুন-
কমান্ডো পাঠিয়ে ইরান থেকে ইউরেনিয়াম নিয়ে আসার ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের
বিমানটি নিরাপদে হায়দরাবাদের রাজীব গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের পর সেটিকে দ্রুত একটি আইসোলেশন বে-তে সরিয়ে নিয়ে যাত্রীদের নিরাপদে নামিয়ে বিমানজুড়ে বোম ডিসপোজাল স্কোয়াড, নিরাপত্তা বাহিনী ও বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ যৌথভাবে তল্লাশি চালালে সন্দেহজনক কিছু পাওয়া যায়নি বলে জানা গেছে। বিমানবন্দরে যাত্রী স্ক্রিনিং, লাগেজ পরীক্ষা এবং নজরদারি আরও জোরদারের পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলোতে নিরাপত্তা টহল বাড়ানো হয়েছে।
মালয়েশিয়া থেকে হায়দরাবাদগামী এয়ারএশিয়ার একটি ফ্লাইট নিয়েও একই দিনে একই ধরনের বোমাতঙ্ক ছড়ালে সেখানে ইমেইলের মাধ্যমে বিমানটি অবতরণের আগেই উড়িয়ে দেওয়া হতে পারে দাবি করা হলে বিমানে ব্যাপক তল্লাশিতে কোনো বিস্ফোরক পাওয়া যায়নি। জার্মানির ফ্রাঙ্কফুর্ট থেকে আসা একটি লুফথানসা ফ্লাইট নিয়েও একই ধরনের হুমকি পেয়েছিল বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ। ইমেইলে বলা হয়েছিল, এলএইচ-৭৫৪ ফ্লাইটে বোমা রাখা হয়েছে এবং রাজীব গান্ধী বিমানবন্দরে পৌঁছানোর আগেই বিস্ফোরণ ঘটানো হবে।
এফ এ/আয়না