| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

পানির অপচয় রোধে এআই প্রযুক্তির ব্যবহার যুক্তরাজ্যের

  • আপডেট টাইম: 22-05-2026 ইং
  • 7257 বার পঠিত
পানির অপচয় রোধে এআই প্রযুক্তির ব্যবহার যুক্তরাজ্যের

যুক্তরাজ্যের অন্যতম পানি সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান ‘টেমস ওয়াটার’ এবার কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও স্যাটেলাইট প্রযুক্তি ব্যবহার করে মাটির নিচে থাকা পানির পাইপের লিকেজ শনাক্ত করার উদ্যোগ নিয়েছে।  নতুন এআই প্রযুক্তির সাহায্যে প্রতিদিন প্রায় ১০ কোটি লিটার পর্যন্ত পানি অপচয় বা লিকেজ রোধ করা সম্ভব হবে। 

যুক্তরাজ্যের উইল্টশায়ারের সুইনডন ও আশপাশের এলাকায় এই প্রযুক্তি ব্যবহার শুরু হয়েছে। মাটির আর্দ্রতা ও মাটির ভেতরের নড়াচড়া শনাক্ত ও লিকেজের স্থান চিহ্নিত করতে যৌথভাবে কাজ করছে যুক্তরাজ্যের পানি সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান ‘টেমস ওয়াটার’ এবং প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ‘অরিজিন টেক’। যেখানে স্যাটেলাইট প্রযুক্তি ব্যবহৃত হবে। ফলে কোথায় পাইপ ফেটেছে বা কোথা থেকে পানি বের হচ্ছে তা সহজেই  শনাক্ত করতে পারবেন কর্মীরা

যুক্তরাজ্যের পরিবেশবিষয়ক সংস্থা এনভায়রনমেন্ট এজেন্সির তথ্য অনুযায়ী, দেশটিতে সরবরাহ করা মোট পানির প্রায় ১৯ শতাংশই গ্রাহকের কাছে পৌঁছানোর আগেই পাইপের ফুটো দিয়ে নষ্ট হয়ে যায়। 

অরিজিন টেকের সহ-প্রতিষ্ঠাতা জন মার্সডেন বলেন, তাদের ব্যবহৃত স্যাটেলাইটগুলো প্রায় প্রতি ছয় দিনে একবার সুইনডনের আকাশপথ অতিক্রম করে। এসব স্যাটেলাইট বিশেষ প্রযুক্তির মাধ্যমে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলো শনাক্ত করে এবং মানচিত্রে নির্দিষ্ট বিন্দু আকারে দেখায়। তিনি আরো জানান, মাটির গভীরে থাকা অনেক লিকেজ খালি চোখে বা সাধারণ পদ্ধতিতে ধরা কঠিন। কিন্তু নতুন প্রযুক্তি মানুষের তুলনায় অন্তত পাঁচ গুণ দ্রুত এসব ত্রুটি শনাক্ত করতে পারে।

এর আগের পরীক্ষামূলক প্রকল্পে, টেমস ওয়াটারের পুরো নেটওয়ার্ক জুড়ে প্রায় আটশটি পানির লিকেজ সফলভাবে খুঁজে পাওয়া গিয়েছিল। কোম্পানিটি বলেছে, আগের ওই পরীক্ষার মাধ্যমে প্রতিদিন আনুমানিক ৮৭ লাখ লিটার পানি বাঁচানো সম্ভব হয়েছিল, যা অলিম্পিক গেইমসে ব্যবহৃত তিনটিরও বেশি সুইমিং পুল ভর্তির জন্য যথেষ্ট। প্রথম দফার পরীক্ষামূলক কার্যক্রম সফল হওয়ার পর এখন দুই প্রতিষ্ঠান আগামী ১৩ মাস একসঙ্গে কাজ করার পরিকল্পনা নিয়েছে। 

টেমস ওয়াটারের তথ্য অনুযায়ী, কিছু জায়গায় প্রতি সেকেন্ডে ১০ লিটারের বেশি পানি নষ্ট হচ্ছিল। এসব লিকেজ বন্ধ করার পর বিপুল পরিমাণ পানি সাশ্রয় হয়েছে। নতুন স্যাটেলাইট ও এআই প্রযুক্তির কারণে এখন অনেক দ্রুত এবং নির্ভুলভাবে সমস্যার জায়গাগুলো চিহ্নিত করা যাচ্ছে। এতে সময় ও খরচ দুটোই কমবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

আল রাজীব/ আয়না নিউজ



ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ নতুন ঠিকানা - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪