রাজধানীর পল্লবীতে ৭ বছর বয়সী শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ফরেনসিক রিপোর্ট সম্পন্ন হয়েছে। রিপোর্টে মৃত্যুর আগে শিশুটিকে ধর্ষণের প্রমাণ পাওয়া গেছে। রোববার (২৪ মে) ফরেনসিক রিপোর্ট পর্যালোচনা করে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে।
ফরেনসিক রিপোর্ট অনুযায়ী, ঘটনার দিন শিশু রামিসাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করা হয়। পরে ধর্ষণের পর তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিলের প্রস্তুতি নিয়েছে তদন্ত সংস্থা।
শনিবার (২৩ মে) শিশুটির ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন এবং শিশু ও অভিযুক্তদের ডিএনএ পরীক্ষার রিপোর্ট তদন্ত কর্মকর্তার কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। পুলিশ অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) এর ফরেনসিক ইউনিট থেকে এসব প্রতিবেদন তদন্ত কর্মকর্তার কাছে পাঠানো হয়। পাশাপাশি শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকেও ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়েছে।
এর আগে বুধবার (২০ মে) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনাঈদের আদালতে শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যার দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দেন প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানা। পরে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
একই দিন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. আশরাফুল হকের আদালত সোহেল রানার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
একই দিন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. আশরাফুল হকের আদালত গ্রেফতারসোহেলের স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
হাফিজ/ আয়না নিউজ