| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

‘বৈসাবি উৎসব’ কে কেন্দ্র করে উৎসবমুখর পার্বত্য জেলা

  • আপডেট টাইম: 09-04-2026 ইং
  • 928 বার পঠিত
‘বৈসাবি উৎসব’ কে কেন্দ্র করে উৎসবমুখর পার্বত্য জেলা

বর্ষ বিদায় ও বরণকে কেন্দ্র করে ‘বৈসাবি উৎসব’ ঘিরে পার্বত্য জেলা রাঙ্গামাটি এখন উৎসবমুখর। পার্বত্য চট্টগ্রামের পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর বৃহত্তম এই সামাজিক অনুষ্ঠান নিয়ে ব্যস্ত এখন শহর, নগর আর পাহাড়ি পল্লিগুলো। বৃহস্পতিবার(৯এপ্রিল) সকাল থেকে বিজু, সাংগ্রাই, বৈসু, বিষু, চাংক্রান, চাংলান,পাতা ও বিহু  উপলক্ষে শুরু হয়েছে চার দিনব্যাপী নানান ঐতিহ্যবাহী অনুষ্ঠান। রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কাজল তালুকদার বিজু, সাংগ্রাই, বৈসু, বিষু, চাংক্রান, চাংলান,পাতা ও বিহু উদযাপন পরিষদের উদ্যোগে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন।

সাবেক সাংসদ ও পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের সদস্য উষাতন তালুকদার প্রধান অতিথি ছিলেন সাবেক উপসচিব প্রকৃতি রঞ্জন চাকমার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উক্ত অনুষ্ঠানে। ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মনোজ্ঞ  নৃত্য’ পরিবেশন শেষে উপস্থিত অতিথিরা বেলুন উড়িয়ে এ উৎসবের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। এ উৎসবের আয়োজন করা হয় জুন্ম জাতির অস্তিত্ব সংরক্ষণ এবং অপ-সংস্কৃতির প্রতিরোধে ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে আসার আহবান জানিয়ে।

বৃহস্পতিবার সকালে রাঙ্গামাটি পৌরসভা প্রাঙ্গণ থেকে এক শোভাযাত্রায় বিভিন্ন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর তরুণ-তরুণীরা নিজ জনগোষ্ঠীর ঐতিহ্যবাহী পোশাক পরে অংশ নেয়। শোভাযাত্রাটি শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে রাঙ্গামাটি শিল্পকলা একাডেমী মিলনায়তনে গিয়ে শেষ হলে রাঙ্গামাটির চিংহ্লামং মারী স্টেডিয়ামে শুরু হয় চারদিন ব্যাপী অনুষ্ঠান মালা।

 সাবেক সাংসদ ও পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের সদস্য উষাতন তালুকদার উৎসবের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বলেন,‘পাহাড়ের ১৩টি ভাষাভাষী মানুষ বর্ষ বিদায় ও বরণকে কেন্দ্র করে এই উৎসব পালন করে থাকেন। বিজু মানে অস্তিত্ব,বিজু মানে সংস্করণ। আমরা অনেক ভাষা সংস্কৃতি হারিয়ে ফেলেছি। আমাদের ভাষা সংস্কৃতিকে যেন ভুলে না যাই সেদিকে সতর্ক থাকতে সরকারের প্রতি আহবান জানিয়ে তিনি আরও বলেন, আমরাও বাংলাদেশের নাগরিক,আমরাও মানুষ, আমরা মানুষের মতো মানুষ হিসেবে বেচে থাকতে চাই। পাহাড়ের জুন্ম জনগণের দেশের প্রতি  অনেক অবদান আছে। মতভেদ থাকতে পারে আমরা বাংলাদেশী হিসেবে দেশের জন্য সকলে একতাবদ্ধ। পার্বত্য অঞ্চলকে অবহেলিত উপেক্ষিত না রেখে আমাদেরকে ইনক্লুসিভ করে ইতিবাচক হিসেবে গ্রহণ করুন। এসময় আরও বক্তব্য রাখেন সাবেক যুগ্ম সচিব কৃষ্ণ চন্দ্র চাকমা ও উদযাপন কমিটির সদস্য সচিব ইন্টু মনি তালুকদার।

আয়োজকরা জানিয়েছেন আগামী চার দিনব্যাপী এ উৎসবে ঐতিহ্যবাহী বিভিন্ন খেলাধুলা, শিশু-কিশোরদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, পিঠা উৎসব, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীদের ঐতিহ্যবাহী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, মঞ্চ নাটক অনুষ্ঠিত হবে। সাংগ্রাই, বৈসু, বিষু, বিহু, সাংক্রাই, চাংক্রান, পাতা উদযাপন পরিষদের উদ্যোগে শুরু হওয়া এ অনুষ্ঠান আগামী ১৭ এপ্রিল মারমা সংস্কৃতি সংস্থার সাংগ্রাই জলোৎসবের মধ্য দিয়ে শেষ হবে পার্বত্য রাঙ্গামাটির বৈসাবির আনুষ্ঠানিকতা।


এফ এ / আয়না টিভি    

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ নতুন ঠিকানা - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪