মিয়ানমারের বৃহত্তম শহর ইয়াঙ্গুনে এক মার্কিন কূটনীতিককে মৃত অবস্থায় পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় একজন থাই নারীকে আটক করেছে দেশটির পুলিশ। বিষয়টি নিশ্চিত করেছে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর।
বুধবার বার্তা সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসকে দেওয়া এক বিবৃতিতে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানায়, ইয়াঙ্গুনে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসে কর্মরত এক কূটনীতিকের মৃত্যু হয়েছে। তবে নিহতের পরিচয়, মৃত্যুর কারণ বা ঘটনার বিস্তারিত সম্পর্কে কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।
পররাষ্ট্র দপ্তরের বিবৃতিতে বলা হয়, পরিবার ও স্বজনদের ব্যক্তিগত গোপনীয়তার প্রতি সম্মান জানিয়ে এ মুহূর্তে আমরা আর কোনো তথ্য দিতে পারছি না।
এদিকে, ইয়াঙ্গুনের কূটনৈতিক মহলের তিনজন সদস্য নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, মিয়ানমার পুলিশ ঘটনাটিকে সম্ভাব্য হত্যাকাণ্ড হিসেবে তদন্ত করছে। তাদের দাবি, প্রায় দুই সপ্তাহ আগে মার্কিন দূতাবাস থেকে প্রায় ১ দশমিক ৫ কিলোমিটার দূরে একটি হোটেল থেকে ওই কূটনীতিকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
দীর্ঘমেয়াদি আবাসনের সুবিধা থাকায় হোটেলটি কূটনীতিক, ব্যবসায়ী ও বিদেশি নাগরিকদের মধ্যে বেশ জনপ্রিয় বলে জানা গেছে।
ঘটনার বিষয়ে এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি মিয়ানমার পুলিশ।
অন্যদিকে, থাইল্যান্ডের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আটক থাই নারীকে কনস্যুলার সহায়তা দেওয়া হয়েছে এবং তার পরিবারকে বিষয়টি অবহিত করা হয়েছে। তবে চলমান তদন্তের স্বার্থে এ বিষয়ে তারা আর কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি।
মৃত্যুর প্রকৃত কারণ ও আটক নারীর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে তদন্ত শেষ হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
রিয়াদ খান/আয়না নিউজ