যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানকে কেন্দ্র করে চলমান বা সম্ভাব্য যুদ্ধ-পরবর্তী পরিস্থিতির পর তার রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক ক্ষমতার ওপর কোনো ধরনের সীমা থাকবে না। তার এই মন্তব্যকে ঘিরে বিশ্বজুড়ে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম ‘অ্যাক্সিওস’-এর একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক এক বক্তব্যে ট্রাম্প অত্যন্ত দৃঢ় ও জোরালো ভাষায় নিজের রাজনৈতিক অবস্থান তুলে ধরেন। সেখানে তিনি ইরান ইস্যুকে কেন্দ্র করে উদ্ভূত পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে নিজের প্রভাব ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের সক্ষমতার কথা উল্লেখ করেন।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ট্রাম্পের বক্তব্যে ইরানের সঙ্গে সাম্প্রতিক উত্তেজনা এবং মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতিকে ঘিরে তার কৌশলগত অবস্থানের বিষয়টি উঠে আসে। তিনি ইঙ্গিত দেন, এই ধরনের সংকটময় পরিস্থিতি তাকে রাজনৈতিকভাবে আরও শক্তিশালী অবস্থানে নিয়ে গেছে বলে তিনি মনে করেন।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের এই ধরনের মন্তব্য আসন্ন মার্কিন নির্বাচন এবং মধ্যপ্রাচ্য নীতিতে তার অবস্থান ও কৌশলেরই প্রতিফলন। তাদের মতে, ক্ষমতার সীমা নিয়ে এমন বক্তব্য গণতান্ত্রিক কাঠামো ও রাজনৈতিক ভারসাম্যের প্রশ্নে নতুন বিতর্ক তৈরি করতে পারে।
তবে ট্রাম্পের এই মন্তব্যকে সহজভাবে নিচ্ছে না বিরোধী শিবির এবং আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক মহল। সমালোচকদের দাবি, কোনো ধরনের সীমাবদ্ধতা না থাকার ধারণা গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন উত্তেজনা সৃষ্টি করতে পারে।
এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত হোয়াইট হাউস বা অন্যান্য আন্তর্জাতিক পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে ধারণা করা হচ্ছে, আগামী দিনগুলোতে এই মন্তব্য ঘিরে মার্কিন রাজনীতিতে নতুন করে উত্তাপ তৈরি হতে পারে।
হাফিজ/ আয়না নিউজ